Thursday, February 27, 2020

স্মার্টফোন হারানোর আগে ও পরে কী করবেন।

এসো কম্পিউটার শিখি
Published by Convincing Al-amin

স্মার্টফোন হারানোর আগে ও পরে কী করবেন।

যেকোনো মুহূর্তে হারিয়ে বা চুরি হয়ে যেতে পারে প্রিয় স্মার্টফোনটি। এ জন্য বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ছবিটি প্রতীকী। ছবি: এএফপি
যেকোনো মুহূর্তে হারিয়ে বা চুরি হয়ে যেতে পারে প্রিয় স্মার্টফোনটি। এ জন্য বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ছবিটি প্রতীকী। ছবি: এএফপি
হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোন যেন আমাদের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছে। দৈনন্দিন কাজের বড় অংশ এখন সম্পন্ন হচ্ছে স্মার্টফোনের পর্দায়, হাতের আলতো স্পর্শে। এখন অনেকেই স্মার্টফোনে রাখছেন অধিকাংশ তথ্য। তাই স্মার্টফোন চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে ব্যবহারকারীরা পড়ে যান উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। স্মার্টফোন চুরি বা হারিয়ে যাওয়ার আগে ও পরে কী করা উচিত—চলুন, এক নজরে জেনে নেওয়া যাক।

ফোন হারানোর আগের সতর্কতা

ট্র্যাকার চালু রাখুন

আপনার ব্যবহৃত স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড হোক বা আইফোন হোক—এটায় এমন কিছু সুবিধা থাকে, যার মাধ্যমে দূর থেকেই ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়। অ্যান্ড্রয়েডে এই সুবিধার নাম ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’। আর আইফোনে এর নাম ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’। অ্যান্ড্রয়েডের সেটিংসে গিয়ে ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড লোকেশন’ মেনুতে পাওয়া যাবে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ অপশন। আইফোনের ক্ষেত্রে সেটিংস মেনুতে গিয়ে লগ ইন করার অ্যাকাউন্টের ছবিতে ক্লিক করতে হবে।
একবার এই অপশন চালু করে দিলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার স্মার্টফোনের সর্বশেষ ‘লোকেশন’সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে রাখবে। যদি ফোনটি হারিয়ে বা চুরি হয়ে যায়, তাহলে অন্য একটি ডিভাইসের মাধ্যমে চুরি হওয়া মোবাইলে লগ ইন থাকা গুগল বা অ্যাপল অ্যাকাউন্টে ঢুকতে হবে। সেখানেই চুরি যাওয়া ফোনটির সর্বশেষ অবস্থান জানা যাবে।
‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ অপশনের মাধ্যমে আরও কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন দূর থেকে ফোনটি স্থায়ীভাবে ‘লক’ করে দেওয়া যায়। এমনকি ফোনে থাকা সব তথ্যও মুছে দেওয়া যাবে।

লক স্ক্রিনে অতিরিক্ত সুরক্ষা যোগ করা

স্মার্টফোনের ব৵ক্তিগত তথ্য সবচেয়ে বেশি থাকে ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও জিমেইলের মতো অ্যাপগুলোতে। আর এই অ্যাপগুলোতে প্রায় সবাই সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘লগ ইন’ করার অনুমতি দিয়ে রাখেন। অর্থাৎ একবার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করার পর ফের লগ ইন করার জন্য পাসওয়ার্ডের দরকার হয় না। ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির হাতে যদি স্মার্টফোনটি চলে যায়, তখন আপনার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা প্রাথমিকভাবে রক্ষা করে ফোনের ‘লক স্ক্রিন’। তাই সব সময় ফোনের লক স্ক্রিনে বাড়তি নিরাপত্তা দিয়ে রাখতে হবে। পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি প্যাটার্ন, ফেস লক, ফিঙ্গার প্রিন্ট লকসহ নানা ধরনের নিরাপত্তা স্তর থাকে। এর যেকোনো একটি ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে এসব অপশন পাওয়া যাবে ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড লোকেশন’-এ। আইফোনে পাওয়া যায় ‘ফেস আইডি অ্যান্ড পাসকোর্ড’। ব্যক্তিগত তথ্য থাকা অ্যাপগুলো (ফেসবুক, জিমেইল) আলাদাভাবে লক করে রাখলে আরও ভালো হয়।

সব তথ্যের ব্যাকআপ রাখতে হবে

স্মার্টফোন যদি চুরি না–ও হয়, তাহলেও মাঝেমধ্যে সব তথ্য মুছে ফেলার প্রয়োজন দেখা দেয়। বিশেষ করে যখন ফোন ‘ফ্যাক্টরি রিসেট’ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এ ক্ষেত্রে ফোনে থাকা সব তথ্য ক্লাউডে ব্যাকআপ রাখা যায়। বর্তমানে গুগলসহ অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠান কয়েক গিগাবাইট পর্যন্ত তথ্য-উপাত্ত বিনা মূল্যে ক্লাউডে জমা রাখার সুযোগ দেয়। অন্যদিকে নিয়মিত ফি দিয়েও ইচ্ছামতো উপাত্ত সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েডে তথ্যের ব্যাকআপ রাখার জন্য সেটিংসে গিয়ে ‘সিস্টেম সেটিংস’ থেকে ‘অ্যাডভান্স সেটিংস’-এ ঢুকলেই ব্যাকআপ অপশন পাওয়া যাবে। অন্যদিকে আইফোনে সেটিংস থেকে অ্যাকাউন্টের নামের ওপর ক্লিক করে ‘আইক্লাউড ব্যাকআপ’ অপশনে যেতে হবে।
ডিজিটাল দুনিয়ায় চূড়ান্ত নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। তাই গুগল ও ফেসবুকের মতো অনলাইন অ্যাকাউন্টের কার্যক্রমগুলো নিয়মিত যাচাই করা উচিত। ছবিটি প্রতীকী। ছবি: এএফপি
ডিজিটাল দুনিয়ায় চূড়ান্ত নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। তাই গুগল ও ফেসবুকের মতো অনলাইন অ্যাকাউন্টের কার্যক্রমগুলো নিয়মিত যাচাই করা উচিত। ছবিটি প্রতীকী। ছবি: এএফপি
ফোন হারিয়ে গেলে যা করবেন

পুলিশ বা মোবাইল অপারেটরে যোগাযোগ

ফোন হারিয়ে বা চুরি গেলে প্রথম কাজটি হবে, যে অপারেটরের সিম কার্ড ব্যবহার করতেন সেই অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করা। তারা আপনার সিমটি বন্ধ করে দিতে পারবে। এতে করে ওই সিম ব্যবহার করে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উপায় থাকবে না। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা উচিত।

অনলাইন অ্যাকাউন্টে চোখ

হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোনে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা থাকলেও নিজের অনলাইন অ্যাকাউন্টে (ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি) নিয়মিত নজর রাখতে হবে। কারণ, অনলাইন দুনিয়ায় চূড়ান্ত নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। অ্যাকাউন্টের কার্যক্রমের মধ্যে আপনি কোন কোন যন্ত্র থেকে লগ ইন করেছেন, কখন করেছেন—এসব তথ্যের ওপর নজর দিতে হবে। এতে করে জানা যাবে, ওই অ্যাকাউন্টে অন্য কেউ ঢোকার চেষ্টা করছে কি না।

#Convincing #Al-#amin


তথ্যসূত্র: ওয়্যারড

মুঠোফোনে ছবি সম্পাদনার বিখ্যাত ৭ অ্যাপ

মুঠোফোনে ছবি সম্পাদনার ৭ অ্যাপ

আলোকচিত্র সম্পাদনা মানেই দরকার উন্নতমানের ডেস্কটপ কম্পিউটার—ব্যাপারটা এখন আর এমন নেই। ভালো ছবি তোলার পাশাপাশি স্মার্টফোনেই এখন সম্পাদনার কাজ বেশ ভালোভাবেই সেরে নেওয়া যায়। এ জন্য অ্যাপ স্টোরে বেশ কিছু অ্যাপ রয়েছে। স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম ভেদে জনপ্রিয় ৭ ছবি সম্পাদনার অ্যাপ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

অ্যাডোবি লাইটরুম

অ্যাডোবির সফটওয়্যারগুলো উন্নতমানের পেশাদার কাজের জন্য বেশ জনপ্রিয়। জটিল সব কাজ করা যায় ফটোশপের মতো সফটওয়্যার দিয়ে। কিন্তু স্মার্টফোনের জন্য লাইটরুমে সেই জটিল বিষয়গুলো সহজ চেহারায় উপস্থাপন করেছে। তা ছাড়া অ্যাডোবির মূল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সিঙ্ক করার সুযোগ রয়েছে। সম্পাদনার মৌলিক কাজগুলো বিনা মূল্যেই করা যায়। তবে একাধিক যন্ত্রে সিঙ্কসহ প্রিমিয়াম সুবিধা পেতে প্রতি মাসে খরচ 
অ্যাপটিতে স্থিরচিত্র সম্পাদনার সব মৌলিক সুবিধা রয়েছে। আগে থেকেই ঠিক করে দেওয়া ফ্রেম ও ফিল্টার সুবিধাও পাওয়া যাবে। ছবিতে স্বতন্ত্র ভাব দেওয়ার জন্য নিজে থেকেই তৈরি করে নেওয়া যাবে ফিল্টার। ওভারলে, ডাবল এক্সপোজার সুবিধাও থাকছে অ্যাপটিতে। বিনা মূল্যে অ্যাপটি নামানো গেলেও বাড়তি সুবিধার জন্য অর্থ গুনতে হবে। অ্যাপ স্টোর থেকে নামানোর ঠিকানা: apple.co/38J3dfo

স্ন্যাপসিড

সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পাওয়া গেলেও গুগলের এই অ্যাপ দিয়ে পেশাদার সম্পাদনা করা যায়। সম্পাদনার বিষয়গুলো নিজের পছন্দমতো ঠিক করা যায়। অ্যাপটির আরেকটি আকর্ষণীয় সুবিধা হলো সেলেকটিভ অ্যাডজাস্ট। অর্থাৎ ছবির কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নির্বাচন করে পরিবর্তন করা যাবে উজ্জ্বলতা, কন্ট্রাস্ট, স্যাচুরেশন ইত্যাদি। তা ছাড়া ফটোশপের মতো একটি ছবির ওপর আরেকটি ছবি বসিয়ে লেয়ার তৈরি করেও সম্পাদনা করা যাবে। নামানোর ঠিকানা: snapseed.online।

ভিএসসিও

অ্যাপটির সাহায্যে ছবি ধারণ করা যায় এবং সঙ্গে সঙ্গেই ফিল্টার যুক্ত করে সম্পাদনা করা যায়। বিনা মূল্যে বেশ কিছু ফিল্টারের পাশাপাশি মৌলিক সম্পাদনার টুল রয়েছে। অ্যাপটিতে প্রিসেট কেনার সুযোগও রয়েছে। যার সাহায্যে ছবিকে নতুন মাত্রা দেওয়া সম্ভব। ভিএসসিওতে রয়েছে কমিউনিটি সুবিধা। যেখানে পেশাদার ও নতুন শিল্পীদের মেলবন্ধন ঘটে। ভিএসসিও মেম্বারশিপের জন্য প্রতিবছর খরচ করতে হবে প্রায় ২০ ডলার। নামানোর ঠিকানা: vsco.co।

পিকসআর্ট

অ্যাপটিতে নানা ধরনের ফিল্টারের পাশাপাশি ব্রাশ টুল রয়েছে, রয়েছে ছবিতে লেখা যুক্ত করার সুবিধা। অ্যাপটির সাহায্যে কোনো একটি ছবির কোনো অংশ কেটে তা অন্য ছবিতে যুক্ত করা যাবে। বিনা মূল্যে অ্যাপটি নামানো গেলেও সব সুবিধা পেতে বছরে গুনতে হবে ৪৭ দশমিক ৮৮ ডলার। নামানোর ঠিকানা: bit.ly/39LheJD
ওভার

আলোকচিত্র সম্পাদনার পাশাপাশি অ্যাপটির সাহায্যে গ্রাফিকস ডিজাইনের মৌলিক কিছু কাজ করা যায়। অ্যাপটিতে আগে থেকেই সীমিত পরিসরে ছবি, গ্রাফিকস ও ফন্ট আছে। তবে সব সুবিধার জন্য প্রতিবছরে লাগবে প্রায় ৫০ ডলার। নামানোর ঠিকানা: madewithover.com

প্রিভিউ

যাঁরা ইনস্টাগ্রাম নিয়মিত ব্যবহার করেন, তাঁদের এই অ্যাপটি বাড়তি সুবিধা দেবে। কারণ, ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা এতে রয়েছে। তা ছাড়া ব্লেমিশ স্মুদার, কালার ইনহ্যান্সার, ওভারলে, ফিল্টারসহ নানা সুবিধা রয়েছে। সম্পাদনা শেষ হলে অ্যাপটি থেকে ইনস্টাগ্রামের জন্য ছবিগুলোর ক্রম ঠিক করে সরাসরি আপলোড করা যাবে। তা ছাড়া ক্যাপশন লেখার সুবিধাও রয়েছে। প্রিমিয়াম সুবিধার জন্য প্রতি মাসে সাড়ে ১২ ডলার খরচ করতে হবে। নামানোর ঠিকানা: apple.co/2P6aTkk
সূত্র: ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্টস নেটওয়ার্ক

Wednesday, February 26, 2020

welcome my site

সকল ধরনের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।